৭ হাজারের বৃত্তে ঘুরছে সূচক: এই সীমার পর কী?

২০১০ সালে বিপর্যয়ের পর ঘুরে দাঁড়ালেও সূচক ৭ হাজারের ঘর অতিক্রম করতে পারছে না দেশের পুঁজিবাজার। এর পকৃত কারণে কী? সূচকের এই সীমাবদ্ধতা কেনো? দেশের অর্থনীতির আকারে পরিবর্তন এলেও সূচক যেন, ‘যে লাউ সেই কদু’ই থেকে যাচ্ছে। এতে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক- বাজারে কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা রয়েছে কি না?

 এ যদিও গত বছরের আগস্ট মাসে ধারণা করা হচ্ছিল, অচিরেই দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ওই মাসে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ঋণসীমার পরিধি বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন-বিএসইসি’র নতুন আদেশে বলা হয়, প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ হাজার পয়েন্টে না যাওয়া পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে ১০০ টাকার বিনিয়োগের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৮০ টাকার ঋণসুবিধা বহাল থাকবে। অবশ্য বিএসইসি’র চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত–উল ইসলামের নেতৃত্বাধীন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা দেয় বলে বাজার বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসি’র মধ্যকার বিদ্যমান দূরত্ব এই বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

পুঁজিবাজারে ২০১০ সালে বিপর্যয়ের পর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাত হাজারের নিচে নেমে আসে সূচক। সব শেষ ২০১১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ডিএসই’র প্রধান সূচক ছিল ৭ হাজার ১২৫ পয়েন্ট। এর প্রায় ১০ বছর পর অর্থাৎ ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ৭ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক ছাড়িয়ে যায় প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স।

এর পর ৫ মাস অতিবাহিত হলেও ঘুরে ফিরে সূচক ৭ হাজারের ঘরেই আবদ্ধ রয়েছে। এটি বাজারের স্বাভাবিকতাকে ব্যাহত করছে বলে মনে করারও কারণা রয়েছে।

Tagged