শেয়ার আত্মসাতে কারাদণ্ড: এটি পুঁজিবাজারে নজির সৃষ্টি করবে

আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি, দেশের পুঁজিবাজারে অনিয়মের জন্য কেবল আর্থিক জরিমানাই কাম্য নয়, দরকার কারাদণ্ডের ব্যবস্থা করা। তা হলে এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে পুঁজিবাজারে।

জালিয়াতির মাধ্যমে শেয়ার আত্মসাতের মামলার সাড়ে ছয় বছর পর তিনজনের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম চৌধুরীর আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। সম্প্রতি এই খবর প্রকাশ হয় সংবাদমাধ্যমে। আমরা মনে করি এটি খুবই দরকার ছিলো।

ওই রায়ে পৃথক তিন ধারায় সাহিদা বেগম ও এনায়েত হোসেনের আট বছর কারাদণ্ড, ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। তবে সব সাজা একসঙ্গে চলবে বিধায় তাদের তিন বছরের সাজা ভোগ করতে হবে। এছাড়া অপর আসামি আব্দুল আলিমের দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় শেষে তিনজনকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সিরাজুল ইসলাম চৌরাঙ্গা ব্রিকস অ্যান্ড ডেভেলপারস কোম্পানির ১০০ টাকা মূল্যের চার হাজার শেয়ারের মালিক ছিলেন। ২০১২ সালের ১২ জানুয়ারি তিনি মারা যান। উত্তরাধিকার সূত্রে মামলার বাদী ফাহিম আল ইসলাম ৮৭৫টি শেয়ারের মালিক হন। তবে আসামিরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে রেজিস্ট্রার জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে দাখিল করেন। এর মাধ্যমে আসামিরা চার হাজার শেয়ার আত্মসাৎ করেন।

আমরা আশা করি মামলার ওই রায়ের ফলে পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং একটি নজির সৃষ্টি হবে।

Tagged