একের পর এক ধসে নিঃস্ব হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

দেশের পুঁজিবাজারে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পর দুদিন কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব পড়লেও এরপর টানা দরপতন দেখা দিয়েছে। এক শ্রেণির বিনিয়োগকারীর মাত্রাতিরিক্ত বিক্রির চাপে এই দরপতন ঘটছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আতঙ্কে প্রতিদিনই লোকসানে শেয়ার বিক্রির চেষ্টা করছেন এক শ্রেণির বিনিয়োগকারী। ধারাবাহিকভাবে কমছে শেয়ারের দাম। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পাল্লাও ভারি হচ্ছে।

একের পর এক মহাধসে পুঁজিবাজার ভয়ানক অস্থির হয়ে উঠছে। এ ক্ষেত্রে নানা রকম কারসাজি হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।

নানা পক্ষের সমালোচনার মধ্যে পড়ে প্রায় দেড় বছর পর গত ১৮ জানুয়ারি বিকেলে পুঁজিবাজার থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ধাপে ৩৫ প্রতিষ্ঠান বাদে সবগুলো থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়।

ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পর মাত্রাতিরিক্ত বিক্রির চাপে ২১ জানুয়ারি লেনদেনের এক পর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ২১৪ পয়েন্ট পড়ে যায়। তবে শেষ দিকে বিক্রির চাপ কমায় প্রধান সূচক ৯৬ পয়েন্ট কমে দিনের লেনদেন শেষ হয়। পরের কার্যদিবস সোমবার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার পাশাপাশি বাড়ে সবকটি মূল্যসূচক। একই সঙ্গে প্রায় ছয় মাস পর ডিএসইতে হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়। এ পরিস্থিতিতে সোমবার বিকেলে আরও ২৩ প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়।  এরপর পুঁজিবাজারে একের পর এক ধসে নিঃস্ব হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।

Tagged