নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করার পদক্ষেপ নিতে হবে

দেশের পুঁজিবাজারের লেনদেনে গতি ফিরছে না। গত পাঁচ কার্যদিবস ধরে তিন শ কোটির আশপাশেই ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৭০ কোটি টাকা। এর আগে গত সোমবার চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইর লেনদেন দুই শ’ কোটির নিচে নেমে গিয়েছিল। তাতে ওই দিন শেষে লেনদেন ফিরে যায় আড়াই বছর আগের অবস্থানে।

বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বেশির ভাগ শেয়ারের দাম সর্বনিম্ন মূল্যস্তর বা ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকায় লেনদেনে স্থবির হয়ে গেছে। তাই লেনদেন বাড়াতে গত বৃহস্পতিবার ১৬৯ প্রতিষ্ঠানের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলেও তার কোনো সুফল বাজারে পড়ছে না।

কারণ, যেসব প্রতিষ্ঠানের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়েছে, লেনদেন ও সূচকে সেসব প্রতিষ্ঠানের অবদান একেবারেই নগণ্য। বেশ কিছুদিন ধরে বাজারে মন্দাভাব থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণির বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করা না গেলে বাজার গতিশীল হবে না। বাজার এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের বড় অংশই সাইড লাইনে,তথা হাত গুটিয়ে বসে আছেন। নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করা না গেলে লেনদেন ও সূচকের উন্নতি হবে না।

Tagged