জিল বাংলার লেনদেন স্থগিত

এসএমজে ডেস্ক:

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি জিল বাংলা সুগারের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অস্বাভাবিক লেনদেন ও দর বৃদ্ধি পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে আজ থেকে লেনদেন স্থগিত করা হয়।

জানা যায়, বিএসইসি ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দিয়েছে। ১৯৬৯ এর সেকশন ৯ এর ৭ ধারা অনুযায়ী লেনদেন স্থগিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। অন্যদিকে স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৬৯ এর সেকশন ৯ এর ৮ ধারা অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে ৩০ দিনের জন্য শেয়ার লেনদেন স্থগিত করতে পারে।

কোম্পানিটর অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণে লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে কিছু অসাধু বিনিয়োগকারী। তারা সিরিয়াল ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বাড়িয়েছে। কারসাজি করা চক্রটি যাতে উচ্চ মূল্যে শেয়ার বিক্রি করতে না পারে সেই জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

গত ৯ জুলাই জিল বাংলার শেয়ার দর ছিল ৩১.৬০ টাকা। যে শেয়ারটি ১৪ সেপ্টেম্বর লেনদেন শেষে বেড়ে দাড়িঁয়েছে ২১৩.১০ টাকায়। অর্থাৎ গত ২ মাসে শেয়ারটির দর বেড়েছে ১৮১.৫০ টাকা বা ৫৭৪ শতাংশ।

গত ১৩ আগস্ট বিএসইসির ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারে টি+৩ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে সরকারি মালিকানাধীন জিল বাংলা সুগারের দর বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। অথচ ৬ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানি ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও ৬২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা লোকসান করেছে। ধারাবাহিক এমন লোকসানে কোম্পানিটির রিটেইন আর্নিংস এখন ঋণাত্মক ৩৭০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

১৯৮৮ সালে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির সর্বশেষ কবে লভ্যাংশ দিয়েছে, সেই তথ্যও ভুলে গেছে সবাই। এমনকি কোনো স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির প্রোফাইলেও এ তথ্য পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র সরকার অর্থায়নের কারণে টিকে রয়েছে কোম্পানিটি। সূত্র: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

এসএমজে/২৪/রা

Tagged