কিছুদিন পর পর ডিএসইর কারিগরি ত্রুটি বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি বাড়ায়

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চরম ব্যর্থতায় গত রোববার নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা পর লেনদেন শুরু হয়েছে। আর ডিএসইর এ ব্যর্থতায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে। এ কারণে এদিন প্রত্যাশিত লেনদেন করতে পারেননি অনেকে।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সকাল সাড়ে নয়টায় লেনদেন শুরুর কয়েক মিনিট আগে বিনিয়োগকারীরা দেখেন, লেনদেনযন্ত্রে কোনো ক্রয় বা বিক্রয়াদেশ দেওয়া যাচ্ছে না। ব্রোকারেজ হাউসগুলো বিনিয়োগকারীদের ক্রয় বা বিক্রয়াদেশ কার্যকর করতে গিয়েও তা পারেননি। ততক্ষণে লেনদেনের সময়ও পার হয়ে যায়। কিন্তু ডিএসইর পক্ষ থেকে কাউকে কিছু জানানো হয়নি।

লেনদেন শুরুর নির্ধারিত সময়ে বেশ কিছুক্ষণ পর ডিএসইর ওয়েবসাইটে একটি নোটিশ দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, অনিবার্য কারণে লেনদেন শুরু হতে কিছুটা বিলম্ব হবে। ওই নোটিশের কিছুক্ষণ পর জানানো হয়, সাড়ে ৯টার বদলে সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু হবে। কিন্তু সাড়ে ১০টায়ও লেনদেন শুরু করতে পারেনি ডিএসই। শেষে দেড় ঘণ্টা বিলম্বে ১১টায় লেনদেন শুরু হয়। ফলে এদিন সব মিলিয়ে ডিএসইতে সাড়ে তিন ঘণ্টার লেনদেন হয়।

ডিএসইর এ ধরনের ভুল অত্যন্ত অপেশাদার আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ। কিছুদিন পরপরই সংস্থাটির কারিগরি ত্রুটির কারণে লেনদেন বিঘ্নের ঘটনা ঘটে। আর এতে ভোগান্তিতে পড়েন নিরপরাধ বিনিয়োগকারী। এ কারণে ডিএসইর অপেশাদারত্বের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান ওই বিনিয়োগকারী।

এর আগে গত সোমবার কারিগরি ত্রুটির কারণে ডিএসইতে লেনদেন বিঘ্নিত হয়। ঢাকার বাজারে ওই দিন লেনদেন হয় মাত্র ১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট। এমনিতে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা ৪ ঘণ্টা ২০ মিনিট লেনদেন হয় পুঁজিবাজারে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য কর্তৃপক্ষকে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

Tagged