সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ৫ কোটি টাকার ট্রেক বিক্রি করবে ডিএসই

এসএমজে ডেস্ক:

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) নতুন কিছু প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট কেনা-বেচা করার জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) দেবে। যাতে বাজারের ব্যাপ্তি বাড়াতে সহায়ক হয়। এর জন্য ৫ কোটি টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ।

গতকাল ৮ জুলাই বুধবার অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ২ জুলাই অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের পুর্বের বৈঠকে ২ কোটি টাকা ট্রেকের নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের মালিকপক্ষ কর্তৃক গ্রাহকদের টাকা আত্মসাত এবং অনেক ব্রোকারেজ হাউজের গ্রাহকদের সমন্বিত (Consolidated) হিসাবে টাকার ঘাটতি চিহ্নিত হওয়ায় আগের বৈঠকে আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। তাই আলোচনার পর ডিএসইর স্বতন্ত্র পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার পরিচালকরা সর্বসম্মতভাবে ৫ কোটি টাকা ট্রেকের মূল্য নির্ধারণ করেছেন।

জানা যায়, সাবেক সচিব ও ডিএসইসির চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমানের নেতৃত্বে আজ বৈঠকে সবাই পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারী ও ট্রেকের গ্রাহকদের সুরক্ষার বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। এর প্রেক্ষিতে ট্রেকের জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধনের সীমা এবং ডিএসইতে তাদের জামানতের পরিমাণও বাড়ানো হয়। সিদ্ধান্ত হয়, আর্থিকভাবে অনেক  ভাল ভাবমূর্তির প্রতিষ্ঠানকেই কেবল ট্রেক দেওয়া হবে। বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের সুরক্ষার জন্যে ট্রেকের মালিকের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর প্রতিটি আবেদন যথেষ্ট সতর্কতার সাথে যাচাই-বাছাই করা হবে, যাতে কোনো দুষ্ট লোক ট্রেক নিয়ে বাজারে  কোনো দূর্ণীতি করতে না পারে।আগামী ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত লিখিত আকারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) পাঠানো হবে।

এই ট্রেক কিনতে আগ্রহী কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন হতে হবে কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা ও জামানত হিসেবে ৫ কোটি টাকা ডিএসইতে জমা রাখতে হবে। এই জামানতে রাখা অর্থের যত সুদ বাবদ যে অর্থ আয় হবে, তা ডিএসইসির তহবিলে জমা থাকবে।

ট্রেক ইস্যু সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশও (ডিবিএ)অভিনন্দন জানিয়েছে। সূত্র: ঢাকা স্ট এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

এসএমজে/২৪/মি

 

Tagged