পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ কাম্য নয়

পুঁজিবাজার থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর গত দুই সপ্তাহে ৭৩ শতাংশ শেয়ার দর হারিয়েছে। এর মধ্যে ১০ থেকে ৫০ শতাংশ দর হারিয়েছে ১৪৬ শেয়ার। তবে গত সপ্তাহে ৪৪ শতাংশের দর হারানোর বিপরীতে ৪৬ শতাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা শেয়ারগুলোর মধ্যে ফ্লোর প্রাইসে পড়ে থাকা শেয়ারই ছিল বেশি। প্রথম সপ্তাহের দর পতনের ধকল দ্বিতীয় সপ্তাহে কাটিয়ে ওঠার লক্ষণ রয়েছে বাজারে।

গত সপ্তাহে অনেক শেয়ারের দর বেড়েছে, আবার কমেছেও। তবে আস্থা ও বিশ্বাসের অভাব আছে বলে মনে হয় না। এখন শেয়ারদর ওঠানামায় কোনো অযাচিত ও অস্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ কাম্য নয়।

২০ মাসের অবরুদ্ধ বাজার দুই সপ্তাহেই ঠিক হয়ে যাবে এমন আশা করা ঠিক নয়। বাজারকে পুরোপুরি নিজের স্বতঃস্ফূর্ত ধারায় ফিরতে দুই থেকে তিন মাস সময় দিতে হবে।

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের আগে যে ২১৮ শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে পড়ে ছিল, প্রথম সপ্তাহে সেগুলোই দর হারিয়েছিল বেশি। দ্বিতীয় সপ্তাহে এসব শেয়ারের দরই বেড়েছে তুলনামূলক বেশি। গত সপ্তাহে এগুলোর মধ্যে ৯৭টির দর বেড়েছে এবং  কমেছে ৮৮টির। বাকি ৩৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

সামগ্রিক বিবেচনায় বাজারের লক্ষণ ভালো বলেই মনে হচ্ছে। এখন দরকার স্বাভাবিকতা বজায় রাখা।

Tagged