দর পতনে উজাড় বাজারে আইপিও কারস্বার্থে

সময় উপযোগী পদক্ষেপ নিতে না পারলে কোনো কাজেই সাফল্য পাওয়া যায় না। ৮:00 টার ট্রেন ৯:00 টায় ছেড়ে গেলে সময় মতো গন্তেব্যে পৌঁছানো যাবে না, এটিই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রে অমনটিই হচ্ছে। যখন যা দরকার তা হচ্ছেনা। এ কারণে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর ধরে পুঁজি বাজার বিনিয়োগকরীদের আকাঙক্ষা পূরণে ব্যর্থ।এই ব্যর্থতার দায় কারা নেবে?

২০১০ সালের মহাধসের পর বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বের হয়ে গেছে। যে ধারা বর্তমানেও অব্যাহত।এখন বাজার প্রায় উজাড়।এ সময় একের পর এক প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেই যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জকমিশন (বিএসইসি)। এর মধ্যে অনেক দুর্বল কোম্পানিও তালিকাভুক্ত হচ্ছে।যেগুলোর অবস্থাব র্তমানে নাজুক।এমনিতে ইবাজারে তারল্য সংকট তাপর আইপওর মাধ্যমে বাজার থেকে অর্থ উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে কোম্পানিগুলো। কারস্বার্থে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে বোধগম্য নয়। এদিকে ৩বছর পর্যন্ত সব ধরনের আইপিও, রাইট শেয়ার ইস্যু বন্ধ রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু এ দাবি কানে তুলছেনা নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এতে বাজারের পতন আরো বেশি ত্বরান্বিত হচ্ছে এবং বাজার থেকে টাকা বের হয়ে যাচ্ছে। যেখানে বাজারে টাকা ঢুকানো দরকার, সেখানে টাকা বের হয়ে যাওয়াটা কতখানি যৌক্তিক? সংশ্লিষ্টরা যদি বিষয়টি বুঝে না বোঝার ভান করেন, তাহলে পরিস্থিতি কখনই বদলাবে না।

Tagged