লেনদেন তলানিতে, বিনিয়োগকারীরা হতাশ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজারের লেনদেন আবারও তলানিতে নেমেছে। গত সোমবার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন নেমেছে ৩৫২ কোটি টাকায়। গত এক মাসের মধ্যে এটিই ডিএসইতে সর্বনিম্ন লেনদেন। এর আগে সর্বশেষ গত ২৪ অক্টোবর ডিএসইতে সর্বনিম্ন ৩৩৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। কয়েক দিন ধরেই বাজারে মন্দাভাব বিরাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় লেনদেন কমতে কমতে সাড়ে তিন […]

বিস্তারিত

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা দেশের অর্থনীতিতে বৃহৎ ভূমিকা রাখেন

দেশের পুঁজিবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োকারীদের আমরা ‘ক্ষুদ্র’ বিলে থাকি। আসলে তারা কিন্তু ক্ষুদ্র নয়। লাখ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী মিলে কিন্তু বৃহৎ হয়। সে হিসেবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বৃহৎ ভূমিকা রেখে আসছেন দেশের পুঁজিবাজারে। ক্ষুদ্র হলেও বিনিয়োকারীদে ক্ষুদ্র করে দেখা ঠিক নয়। তারা পুঁজিবাজারের প্রাণ। সেই হিসেবে যদি তাদের মূল্যায়ন করা হয় তা হলে দেশের পুঁজিবাজার ও অর্থনীতি […]

বিস্তারিত

লেনদেনে খরা কাটাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে

পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই দেশের দরপতন হয়েছে। সেই সঙ্গে দাম বাড়ার তালিকায় যে কয়টি প্রতিষ্ঠান স্থান করে নিয়েছে, পতনের তালিকায় রয়েছে প্রায় তার দ্বিগুণ প্রতিষ্ঠান। ফলে এক সপ্তাহেই প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ৪ হাজার কোটি টাকার ওপরে কমে গেছে। সেই সঙ্গে লেনদেন কমে প্রায় অর্ধেকে […]

বিস্তারিত

বিনিয়োগকারীদের কথা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত

দেশ ও দেশের বাইরে অর্থনৈতিক নানা উৎকণ্ঠার কারণে দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি পুঁজিবাজারও খারাপ প্রভাব পড়তে শুরু করে। পুঁজিবাজারের পতন অধিক থেকে অধিকতর হওয়ার আগেই বেঁধে দেওয়া হয়েছে ফ্লোর প্রাইস। এই ফ্লোর প্রাইস বড় ধরনের পতন থেকে পুঁজিবাজারকে রক্ষার উদ্দেশ্যেই দেওয়া হয়েছে। যা বাজার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় ধরনের স্বস্তি হিসেবে। দেখা দিয়েছে। […]

বিস্তারিত

বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণায় বিধিনিষেধ: বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ দেখা হোক

পুঁজিবাজারে এখন তিনটি বিশেষ কারণ ছাড়া কোনো কোম্পানি বোনাস বা স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। তালিকাভুক্তির তিন বছরের মধ্যে কোনো কোম্পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন ছাড়া কোনো বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সম্প্রতি এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বিএসইসি বলছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো মূলত তিনটি ক্ষেত্রে […]

বিস্তারিত

পুঁজিবাজার নিয়ে ভিন্ন উপায় খুঁজতে হবে নীতির্নিধারকদের

দীর্ঘ পতন চলছে দেশের পুঁজিবাজারে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর ফ্লোরে অবস্থান করলেও, বাকি যে কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর ফ্লোর প্রাইসের উপরে আছে সেগুলোও ক্রমাগত ফ্লোর প্রাইসে নামছে। এতে প্রতিদিন বাড়ছে ফ্লোর প্রাইসে অবস্থান করা কোম্পানির সংখ্যা। আর যে হারে ফ্লোর প্রাইসে অবস্থান করা শেয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এতে মনে হচ্ছে কয়েকদিন পরে সব কোম্পানির শেয়ারই ফ্লোর প্রাইসে নেমে […]

বিস্তারিত

পুঁজিবাজারে সংকটকালীন বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে

দুর্যোগ, মন্দা, সংকট চিরকালীন বিষয় নয়। এটি কেবল দেশের পুঁজিবাজার নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও একই রকম। তবে পুঁজিবাজার যেহেতু স্পর্শকাতর একটি ক্ষেত্র, এখানে এটি একটু বেশি সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এই সময়ে বিনিয়োগকারীদের অন্যান্য বিষয়গুলোর পাশাপাশি ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। হুটহাট করে সিদ্ধান্ত নিতে গেলে ক্ষতির আশঙ্কা বেশি। আর প্রতিনিয়ত ক্ষতি হতে থাকলে পুঁজি […]

বিস্তারিত

বৈশ্বিক মন্দার চেয়ে বড় সংকট কারসাজি

করোনা মাহামারির পর রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দা সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি গতিশীল রকতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেও হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বৈশ্বিক বা দেশের অর্থনীতির মন্দার প্রভাব দেশের পুঁজিবাজারও এড়াতে পারবে না। তাই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে পুঁজিবাজার নিয়ে। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ কারসাজি পুঁজিবাজারের সর্বনাশ করছে। […]

বিস্তারিত

সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে ব্যাংকের চেয়ে পুঁজিবাজারে মুনাফা বেশি

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার আগে বিনিয়োগকারীকে লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। সঞ্চয় করা অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করলে ব্যাংকের চেয়ে বেশি মুনাফা পাওয়া যায়। তবে সব জায়গায় বিনিয়োগ করা যাবে না। বুঝতে কখন কোথায় বিনিয়োগ করতে হবে। বিনিয়োগের জন্য কিভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেটা না জানলে সমস্যা হয়। অধিকাংশ মানুষের আয় সীমিত। তাই সঞ্চয়ের টাকা থাকলে স্বপ্ন পূরণ […]

বিস্তারিত

আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে বিনিয়োগকারীদের বুঝেশুনে বিনিয়োগ করা উচিত

দেশের পুঁজিবাজারে গত তিন কার্যদিবস ধরে  নিম্নমুখি প্রবণতা দেখ যাচ্ছে। প্রতিদিনই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত বুধবার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স দশমিক ৫৩ শতাংশ পয়েন্ট হারিয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নিম্নমুখিতার কারণে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা করছেন বিনিয়োগকারীরা। কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও ডলার সংকটের কারণে ব্যবসা পরিচালনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং এতে অধিকাংশ তালিকাভুক্ত কোম্পানির মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ কারণে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার ক্রমেই কমছে। ফলে গতকাল পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দ্বিধাগ্রস্ততা দেখা গেছে এবং শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রির পরিমাণ ছিল বেশি। সব মিলিয়ে এসব কারণে পুঁজিবাজারে টানা দরপতন হচ্ছে। গত বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় লেনদেন শুরুর পর ২ মিনিট পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী ছিল সূচক। এর পর থেকে শেয়ার বিক্রির চাপে পয়েন্ট হারাতে শুরু করে ডিএসইএক্স। মাঝে বেশ কয়েকবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সূচকটি। এই অবস্থায় আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে বিনিয়োগকারীদের বুঝেশুনে বিনিয়োগ করা উচিত। তা হলে লোকসান কমানো সম্ভব।

বিস্তারিত