সকলেরই কর্তব্য রয়েছে করোনা মোকাবিলায়

সারা দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা আদেশে আমরা দেখছি- সীমিত পরিসরে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সাধারণ ছুটির মেয়াদ না বাড়িয়ে শর্তসাপেক্ষে সীমিত আকারে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো নিজ ব্যবস্থায় খোলা রাখার কথা বলা হয়। এবিষয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলও সুস্পষ্ট সমাধান নেই কোথও। অর্থনীতি বা মানুষের জীবিকার বিষয়টি কী হতে পারে এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে না কোনো মহল থেকে।
আমরা দেখেছি, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার থেকে সুরক্ষায় ২৬ মার্চ থেকে কয়েক দফায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। এখন প্রশাসনের তরফ থেকে শর্তসাপেক্ষে ও সীমিত পরিসরের কথা বলা হয়েছে সত্য, এসব শর্ত মানার দায়িত্ব সবার। মনে রাখা দরকার, করোনার ঝুঁকি এখনও শেষ হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবেই, এখনও প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে গড়ে বিশজন করে মানুষ মারা যাচ্ছে। এ অবস্থায় সবকিছু খুলে দেয়ায় করোনা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়বে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। ফলে করোনার এ ঝুঁকি কমাতে প্রত্যেককেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ দেশে যদি একজনও করোনা আক্রান্ত থাকে, সেটি গোটা জাতির জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এক্ষেত্রে সকলেরই কর্তব্য রয়েছে করোনা মোকাবিলায়।

Tagged