কার এখতিয়ারে থাকবে আইপিও অনুমোদন?

পুঁজিবাজার বিষয়ে গঠিত টাস্কফোর্সের সুপারিশের পর এমন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে আইপিও অনুমোদনের বিষয়টি কার এখতিয়ারে থাকবে। এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন দেশে পুঁজিবাজারের উদাহরণ টেনে কথা বলছেন। যুক্তি আসছে নানা রকমের।

অনেক দেশে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইপিও অনুমোদন দেয় না। এখন স্টক এক্সচেঞ্জ যদি কোনো কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করার যোগ্য মনে না করে, তাহলে ওই আইপিও হওয়া উচিত নয়, এমন বলছেন কেউ কেউ।

অভিযোগ রয়েছে, স্টক এক্সচেঞ্জ এতদিন নিজের দায় বা সমালোচনা এড়াতে প্রায় সব কোম্পানির আইপিও নিয়ে নেতিবাচক মতামত দিত। বিএসইসি যদি এ সুপারিশ আমলে নেয়, তাহলে স্টক এক্সচেঞ্জের দায়িত্ব বাড়বে। আবার বিএসইসি স্টক এক্সচেঞ্জের মতামত উপেক্ষা করে আগের মতো খারাপ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দিতে পারবে না।

কোনো কোম্পানি আইপিও আবেদন করার পর অনুমোদন পাবে কি পাবে না– সে সিদ্ধান্তের জন্য সময় নির্দিষ্ট করে দিতে আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপের প্রস্তাব করেছে সুপারিশ কমিটি। এ জন্য আইপিও আবেদন করার পর তালিকাভুক্ত হওয়ার সর্বোচ্চ সময় সাড়ে ছয় মাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন এসব বিষয়ে ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই বেশি যুক্তিযুক্ত হবে বলে আমরা আশা করি।

Tagged