আইপিওতে অনিয়ম: দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক

পুঁজিবাজারে জাল দলিলের মাধ্যমে সম্পদের মূল্য বেশি দেখিয়ে অর্থ সংগ্রহের সব আয়োজন সম্পন্ন করেছিল ওষুধ খাতের কোম্পানি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তদন্তে কোম্পানিটির ভয়াবহ এ জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসে।

ভুয়া দলিল করে সম্পদমূল্য বাড়িয়ে দেখানোর অপরাধে কোম্পানিটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) পাঁচ পরিচালককে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর বাইরে জালিয়াতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার দায়ে কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ও কোম্পানি সচিবকে জরিমানা করা হয়েছে। আর এ জালিয়াতি আড়াল করে কোম্পানিটিকে শেয়ারবাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়ায় এর ইস্যু ম্যানেজার শাহজালাল ইকুইটি ম্যানেজমেন্টকেও জরিমানা করা হয়।

আইপিও প্রক্রিয়ায় দুর্বলতা থাকলে এর খেসাড়ত দিতে হয় বিনিয়োগকারীদের। এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারের দুর্বল দিকটি সামনে চলে আসে। তাই আমরা মনে করি যথা সময়ে ব্যবস্থা নিতে পারলে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দেয়া সম্ভব।

উপরোক্ত কারণে কমিশন কোম্পানির পাঁচ পরিচালক, দুই কর্মকর্তা ও ইস্যু ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানকে মোট পৌনে ৪ কোটি টাকা জরিমানা করেছে। গত মাসে এ জরিমানা করা হয়। তবে বিএসইসির পক্ষ থেকে জরিমানার এ আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে গত বুধবার। এখন শুধু জরিমানা নয়, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। যাতে এ ধরনের অনিয়ম করার সাহস আর না হয়।

Tagged