আর কতদিন কারসাজির হাতিয়ার হবে স্বল্প মূলধনি কোম্পানি?

স্বল্প মূলধনি কোম্পানিকে ঘিরে কারসাজি হওয়ার বিষয়টি নতুন নয়।  এর শেয়ার সংখ্যা কম হওয়ায় সহজেই কারসাজি করা সম্ভব। কয়েকজন মিলে শেয়ার কিনে পরিকল্পিতভাবে এর দর বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব। আর এভাবে কারসাজি করতে খুব একটা বেগ পেতে হয় না। তাই ঘুরে ফিরে এ ধরনের কাজ হয়ে থাকে দেশের পুঁজিবাজারে। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা আনতে হলে কারসাজি রোধ করতে […]

বিস্তারিত

অর্থবছরের প্রথমদিন হতাশা নিয়েই বাড়ি ফিরলেন বিনিয়োগকারীরা

বিদায়ী অর্থবছরের শেষ কার্যদিবস গত বৃহস্পতিবার শেষ বেলায় বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে সামন্য আশার আলো দেখতে পেয়েছিলেন। কিন্তু চলতি অর্থবছরের প্রথম কার্যদিবসে তারা রীতিমতো হোঁচট খেলেন। প্রথম কার্যদিবসেই বাজার নেতিবাচক প্রবণতায় ধাবিত হয়েছে। এদিন পুঁজিবাজারের বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমেছে, সূচক কমেছে এবং লেনদেনও আগের দিনে তুলনায় অনেক কমে গেছে। এর আগে সমাপ্ত ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার […]

বিস্তারিত

শুধু নোটিস দিয়েই অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি দুইটির কর্তৃপক্ষ। কোম্পানিগুলোর কর্তৃপক্ষের মতামতের ভিত্তিতে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) মনে করেছে, বিনা কারণে কোম্পানি দুইটির শেয়ারদর অতিরিক্ত বেড়েছে। যে কারণে কোম্পানি দুইটির শেয়ার নিয়ে ডিএসইর ওয়েবসাইটে সতর্কবার্তা জারি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ওই কোম্পানি দুইটি হচ্ছে- ইমাম বাটন […]

বিস্তারিত

কারসাজির শাস্তি শুধু আর্থিক জরিমানা নয়, জেলও হওয়া উচিত

দেশের পুঁজিবাজারে স্বল্প মূলধনি কোম্পানিন শেয়ার নিয়ে খুব সহজেই কারসাজি করা হয়। কয়েকজন মিলে বাজার থেকে অল্প কিছু শেয়ার কিনলেই কৃত্রিমভাবে এটির দাম বাড়ানো সম্ভব। বিভিন্ন সময় দেখা যায়, কোনো কোনো কোম্পানির শেয়ার কোনো কারণ ছাড়াই দিনের পর দিন বাড়ছে। এসব ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত হন। অনেকে প্রয়োজনীয় সচেতনতার অভাবেও ক্ষতির মধ্যে পড়েন। তাদের এই ক্ষতি […]

বিস্তারিত

বন্ধ কোম্পানির টানা দরবৃদ্ধি: নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীরবতা কাম্য নয়

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ও মানহীন একটি কোম্পানির শেয়ারের দাম মাত্র ছয় মাসে পাঁচ গুণ হয়ে গেছে। অথচ এ কোম্পানি ২০১০ সালের পর থেকে বিনিয়োগকারীদের কোনো ধরনের লভ্যাংশ দিচ্ছে না। এমনকি ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে কারখানার উৎপাদনই বন্ধ রয়েছে। অবিশ্বাস্য ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিটি হলো ওষুধ ও রসায়ন খাতের ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার […]

বিস্তারিত

পালিয়ে নয় পুঁজিবাজারে টিকে থেকে লড়াই করতে হবে বিনিয়োগকারীদের

কখনো কখনো পুঁজিবাজারে দুর্দিন আসে। এটি স্বাভাবিকভাবে দেখতে হবে। যদি কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা কারচুপি না থাকে, তা হলে দরপতন পুঁজিবাজারের খুব বেশি ক্ষতি করতে পারে না। সার্বিক অর্থনীতি এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিস্থিতির কারণে শেয়ার দর বাড়তে-কমতে পারে। যদি স্বাভাবিক দরপতন হয়, সে ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের চেষ্টা করতে হবে পুঁজিবাজারে টিকে থাকার। পালিয়ে যাওয়া কোনো সমাধান […]

বিস্তারিত

পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিকতা দূর করাই বড় চ্যালেঞ্জ

পুঁজিবাজার যদি দিনের পর দিন অস্বাভাবিক আচরণ করে তাহলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সন্দেহ বাড়ে। তারা তখন বিচলিত হয়ে পড়েন। এই কারণে প্রথমেই পুঁজিবাজারের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে হবে। আর এই কাজটি কেবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার একার কাজ নয়। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার আন্তরিকতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। দেখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কোনো গাফিলতি রয়েছে […]

বিস্তারিত

পতনে দিশাহারা পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা

গত সপ্তাহে টানা দু’দিন সামান্য উত্থানের পর নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। ব্যাংক, বিমা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব খাতের শেয়ারের দাম কমায় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক কমেছে ২৬ পয়েন্ট। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমেছে ৪৫ পয়েন্ট। শেয়ার বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতার উপস্থিতি কম […]

বিস্তারিত

পুঁজিবাজারে লেনদেনের চিত্র হতাশাজনক

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস গত বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম ৪০ মিনিট লেনদেন হয়েছে সূচকের উত্থানে। কিন্তু তারপর ক্রেতার তুলনায় বিক্রেতা বেশি থাকায় দিনের বাকি সময় লেনদেনে সূচক খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। ফলে দিন শেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক বেড়েছে মাত্র ৯ পয়েন্ট। সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন ও অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম। […]

বিস্তারিত

তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার: পুঁজিবাজারবান্ধব সমাধান আসা উচিত

আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর করপোরেট করের হার বেশকিছু শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এটি শর্তহীন থাকা উচিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সসম্প্রতি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটের (বিআইসিএম) উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাজেট ২০২২-২৩: পুঁজিবাজারের ওপর প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। সেমিনারে বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদা আক্তার বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন সরকারের ঘোষিত বাজেট নীতিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, করের হার, করমুক্ত বিনিয়োগের সীমার মতো চলকগুলো পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে ভূমিকা রেখে থাকে। পুঁজিবাজারকে নিরুৎসাহিত করার মতো তেমন কোনো বিষয় বাজেটে নেই। এখানে পুঁজিবাজারের জন্য প্রত্যক্ষ প্রণোদনা কম। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ করহার শর্তহীন হওয়া উচিত। বাজার মধ্যস্থতাকারীদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা থাকা উচিত, যাতে বাজারের উন্নয়নে তারা আরো সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। প্রস্তাবিত বাজেটে কভিডের প্রভাব এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। তার ওপর মুদ্রাস্ফীতি তো রয়েছেই। এসব প্রেক্ষাপট বিবেচনায় পুঁজিবাজারের ওপর সরকার মনোযোগ কম দিয়েছে। প্রত্যাশা অনুসারে প্রণোদনা কম এসেছে। এবারের বাজেটের মূল দর্শন হলো অর্থনীতিকে কভিডের আগের অবস্থানে নিয়ে যাওয়া। দেশের অর্থনীতি সে অবস্থানে পৌঁছালে পুঁজিবাজারও গতিশীল হবে। তবে বিভিন্ন মহল থেকে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হারের বিষয়টি আসছে, এ ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারবান্ধব সমাধান আসা উচিত।  

বিস্তারিত