লেনদেনের চিত্র পুঁজিবাজারে হতাশা বাড়াচ্ছে

ঈদের আগে পুঁজিবাজারে মন্দাভাব থাকলেও মাঝে মাঝেই সূচক উত্থানের ঝলক দেখা গেছে। আর লেনদেন ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ঈদের আগে লেনদেন ছিল হাজার কোটির ঘরে। যে কারণে বিনিয়োগকারীরা আশা করেছিল, ঈদ পরবর্তী বাজার তাদের জন্য ভালো কিছু ঘটবে। কিন্তু তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং ঈদ পরবর্তী বাজারে তাদের স্বস্তির চেয়ে অস্বস্তিতে ফেলেছে বেশি।

ঈদ পরবর্তী প্রথম কার্যদিবস গত মঙ্গলবার সূচক কমেছে ১১ পয়েন্ট। গত বুধবার সূচকের পতন হয়েছে ৩০ পয়েন্ট। গতকালও দিনভর সূচকের পতনেই লেনদেন চলেছে। শেষ আধা ঘণ্টায় সূচকের বড় পতন থেকে রক্ষা পেয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। তবে গতকাল ব্যাংক-বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমায় সূচক ও লেনদেন দুটোই কমেছে।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) শেয়ার বিক্রির চাপের মধ্যদিয়ে দিনের লেনদেন শুরু হয়। সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত লেনদেন হয় সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায়। তবে দিনের শেষ আধা ঘণ্টায় লেনদেন হয়েছে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায়। যার ফলে অ্যাডজাস্টমেন্টের পর সূচক নেতিবাচক প্রবণতায় থাকলেও বড় পতন থেকে রক্ষা পায় পুঁজিবাজারে। তবে লেনদেনের এমন চিত্র পুঁজিবাজারে হতাশা বাড়াচ্ছে।

Tagged